যেসব লক্ষণে বুঝবেন গর্ভে যমজ সন্তান

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই অনাগত সন্তানকে ঘিরে চরম আগ্রহ থাকে দম্পত্তি থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজনের। গর্ভে সন্তান আসার কয়েক মাস পর থেকেই বাড়তে থাকে এ কৌতূহল। এরপর যখন সন্তান প্রসবে যমজ সন্তানের জন্ম হয় তখন তো কথাই নেই। খুশির মাত্রাটাও তখন বেড়ে যায় দ্বিগুণ হয়ে। যেন এক ঢিলে দুই পাখি। তবে আপনি চাইলে গর্ভকালীন কিছু লক্ষণের মাধ্যমে এ আনন্দ আগে থেকেই অনেকাংশে উপভোগ করতে পারবেন।

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা রকম বদল আসে। বহু হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয়। তা টের পাওয়া যায় বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণ দেখে। আপনার গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে কি না, তা পাকাপাকিভাবে জানার একমাত্র উপায় আলট্রাসাউন্ড স্ক্যান। কিন্তু অনেকেই মনে করেন, কিছু লক্ষণ দেখলে আগাম টের পাওয়া যায়, আপনার গর্ভে একাধিক ভ্রূণ রয়েছে কি না। সেগুলো কী, জেনে নিন।

বমির প্রবণতা: অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নানা রকম হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয়। এতে অনেকের গা-বমি ভাব বা বমির প্রবণতা শুরু হয়। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চার সপ্তাহ পর থেকেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। অনেক সময়ে ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার আগেই এমন অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। ইংরেজিতে এ লক্ষণকে ‘মর্নিং সিকনেস’ বলে। তবে বলে রাখা ভালো, এ সমস্যা দিনের যেকোনো সময়ে হতে পারে। যাদের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ১৪ সপ্তাহ পর্যন্ত এ সমস্যা থেকে যায়, তাদের গর্ভে একাধিক ভ্রূণ থাকতে পারে।

ক্লান্তি: অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অন্যতম লক্ষণ ক্লান্তি। অনেকেই প্রথম মাসে এ ধরনের ক্লান্তি অনুভব করেন। ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়ায় রাতে টানা ঘুম হয় না। তাই শরীরও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম পায় না। যাদের এ ক্লান্তি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তাদের সম্ভাবনা থেকে যায় যমজ সন্তানের। তবে কেউ খুব বেশি ক্লান্ত মানেই যে গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে, এমনটারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।

উচ্চ এইচসিজি: এইচসিজি বা হিউম্যান কোরিয়োনিক গোনাডোট্রোপিন নামের হরমোনের ক্ষরণ শুরু হয় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়। হোম প্রেগন্যান্সি কিটে এই হরমোন ধরা পড়ে প্রস্রাবে। তবে রক্তে কতটা এইচসিজি রয়েছে, তা নির্ধারণ করতে পারে না এ পরীক্ষাগুলো। রক্ত পরীক্ষা করালে অবশ্য তা বোঝা যায়। ২০১৮ সালে করা এক সমীক্ষা বলছে, যাদের যমজ সন্তান ছিল গর্ভে, তাদের রক্তে এইচসিজি-র পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।

দ্বিতীয় হৃদস্পন্দন: ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মাথায় সন্তানের হৃদস্পন্দন শোনা যায়। যদি আপনার চিকিৎসক মনে করেন, দ্বিতীয় কোনো হৃদস্পন্দন শোনা যাচ্ছে, তবে তা যমজ সন্তানের ইঙ্গিত হতে পারে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য বেশির ভাগ চিকিৎসক আলট্রাসাউন্ড স্ক্যান করতে বলেন।

স্ফীত পেট: মোটামুটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ২০ সপ্তাহ পরই কারো স্ফীত পেট দেখে বোঝা সম্ভব যে তিনি মা হতে চলেছেন। কিন্তু অনেকে যারা যমজ সন্তানধারণ করেছেন, ২০ সপ্তাহের আগেই নাকি তাদের পেট স্ফীত হওয়া শুরু করেছিল। তবে বলে রাখা ভালো, কারো পেট ঠিক কোন সময়ে স্ফীত হবে, তা একেক জনের ক্ষেত্রে আলাদা হতেই পারে।

ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া: অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার প্রথম ১২ সপ্তাহ তেমন ওজন বাড়ে না। মোটামুটি ২ কেজি অবধি বাড়তে পারে। তবে ওজন বাড়া টের পাওয়া যায় এরপর থেকে। যাদের যমজ সন্তান হয়েছে তাদের প্রথম ১২ সপ্তাহেই তুলনামূলকভাবে বেশি ওজন বেড়ে ছিল।

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।

মুঠোফোন : (চিকিৎসক) 01742-057854

(সকাল দশটা থেকে বিকেল ৫টা)

ইমো/হোয়াটস অ্যাপ : (চিকিৎসক) 01762-240650

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

শ্বেতীরোগ একজিমাযৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

আরো পড়ুন : মেহ-প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের প্রতিকার

আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ

আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

আরো পড়ুন :  নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং চিকিৎসা

আরো পড়ুন : দীর্ঘস্থায়ী সহবাস করার উপায়

আরও পড়ুন: বীর্যমনি ফল বা মিরছিদানার উপকারিতা

শেয়ার করুন: