মানুষের শরীরে কী কী ধরনের সিস্ট হতে পারে?

সিস্ট (Cyst) হলো শরীরের কোনো অংশে গঠিত একটি বন্ধ থলে বা গহ্বর, যার ভেতরে তরল, বায়ু, বা আধা-ঠাসা পদার্থ থাকতে পারে। এটি সাধারণত টিস্যুর ভেতরে তৈরি হয় এবং অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই শরীরে উপস্থিত থাকে।

বাংলায় সহজভাবে বললে, সিস্ট মানে হলো শরীরের ভেতরে গঠিত এক ধরনের ফোলা থলে, যা দেখতে অনেকটা ছোট বলের মতো এবং এর ভেতরে নানা ধরনের পদার্থ থাকতে পারে—যেমন পানি, চর্বি, রক্ত, বা অন্য কোনো তরল।

লক্ষণ:
– অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না
– ব্যথা, ফোলা, চাপ অনুভব
– মাসিক অনিয়ম (ডিম্বাশয়ের ক্ষেত্রে)
– হরমোনজনিত সমস্যা

মানুষের শরীরে বিভিন্ন ধরনের সিস্ট হতে পারে, এবং এগুলোর প্রকৃতি, অবস্থান ও উপসর্গ ভিন্ন ভিন্ন হয়। নিচে প্রধান কয়েকটি সিস্টের ধরন তুলে ধরা হলো:

সাধারণ সিস্টের ধরন

1. ওভারিয়ান সিস্ট (Ovarian Cyst)
– নারীদের ডিম্বাশয়ে দেখা যায়
– সাধারণত হরমোনজনিত কারণে হয়
– ধরন: ফলিকুলার, কর্পাস লিউটিয়াম, ডারময়েড, এন্ডমেট্রিওটিক, সিস্ট অ্যাডেনোমা

2. সেবাসিয়াস সিস্ট (Sebaceous Cyst)
– ত্বকের নিচে তৈলগ্রন্থিতে জমে থাকা পদার্থ
– সাধারণত ব্যথাহীন, তবে সংক্রমিত হলে ফোলা ও ব্যথা হতে পারে

3. কিডনি সিস্ট (Renal Cyst)
– কিডনির ভেতরে তরলভর্তি থলে
– অনেক সময় উপসর্গহীন থাকে
– পলিসিস্টিক কিডনি ডিজিজে একাধিক সিস্ট দেখা যায়

4. ব্রেস্ট সিস্ট (Breast Cyst)
– স্তনের টিস্যুতে তরল জমে তৈরি হয়
– সাধারণত হরমোনজনিত পরিবর্তনের সময় দেখা যায়

5. গ্যাংলিয়ন সিস্ট (Ganglion Cyst)
– হাত বা কবজির জয়েন্টের কাছে দেখা যায়
– তরলভর্তি, ব্যথাহীন, তবে চাপ দিলে অস্বস্তি হতে পারে

6. পাইলোনিডাল সিস্ট (Pilonidal Cyst)
– পিঠের নিচে বা নিতম্বের কাছে
– সংক্রমিত হলে ফোঁড়া হয়ে যেতে পারে

7. ডারময়েড সিস্ট (Dermoid Cyst)
– জন্মগত, এর ভেতরে চুল, দাঁত, চামড়া থাকতে পারে
– সাধারণত ওভারি বা ত্বকে দেখা যায়

8. এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট (Endometriotic Cyst)
– জরায়ুর টিস্যু ডিম্বাশয়ে বা অন্য কোথাও বেড়ে গেলে হয়
– মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা ও বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি থাকে

9. সিনোভিয়াল সিস্ট (Synovial Cyst)
– মেরুদণ্ডের জয়েন্টে তরল জমে তৈরি হয়
– পিঠে ব্যথা বা স্নায়ু চাপে সমস্যা হতে পারে

10. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)
– ডিম্বাশয়ে একাধিক ছোট সিস্ট তৈরি হয়
– হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মাসিক অনিয়ম, ওজন বৃদ্ধি ইত্যাদি লক্ষণ থাকে

অন্যান্য কম পরিচিত সিস্ট

– থাইরয়েড সিস্ট
– লিভার সিস্ট
– মস্তিষ্কে অ্যারাকনয়েড সিস্ট
– স্প্লিন সিস্ট
– প্যানক্রিয়াস সিস্ট

সিস্টের প্রকৃতি নির্ভর করে তার অবস্থান, গঠন, এবং কারণের ওপর। বেশিরভাগ সিস্ট নিরীহ হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে যদি সিস্ট বড় হয়, ব্যথা দেয়, বা ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে।

যোগাযোগ

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

📜 ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত) 

🩺 অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা 

🆔 সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ 

 চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

📍 সততা প্লাজা, 

🏢ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার 

📌 প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন 

🛣️ রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

 📞 প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

📱 মোবাইল: 01762-240650

সেবাসমূহ :

শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

শেয়ার করুন
বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শেয়ার করুন: