

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশে হেপাটাইটিস বি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এইসবিএস পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া মানে হলো শরীরে হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন বিদ্যমান। এটি ভাইরাস সংক্রমণের একটি প্রধান সূচক। রোগটি অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়ে লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।
হেপাটাইটিস বি কী
হেপাটাইটিস বি হলো একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা মূলত লিভারকে আক্রান্ত করে। ভাইরাসটির নাম হেপাটাইটিস বি ভাইরাস বা HBV। এটি রক্ত, বীর্য, যোনি নিঃসরণ এবং অন্যান্য দেহ তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রমণের পর ভাইরাস লিভারে প্রবেশ করে এবং সেখানে বৃদ্ধি পায়।
রোগ হওয়ার কারণ
– সংক্রমিত রক্তের সংস্পর্শে আসা
– দূষিত সিরিঞ্জ, সূঁচ বা চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহার
– অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক
– মা থেকে নবজাতকের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ
– রক্ত সঞ্চালনের সময় ভাইরাস আক্রান্ত রক্ত ব্যবহার
রোগের লক্ষণ
– জন্ডিস বা চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া
– অতিরিক্ত ক্লান্তি
– ক্ষুধামন্দা
– বমি বমি ভাব
– পেটের ডান পাশে ব্যথা
– গাঢ় রঙের প্রস্রাব
প্রতিকার
প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
– হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন গ্রহণ
– নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন
– সিরিঞ্জ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা
– নিরাপদ যৌন সম্পর্ক
– মা যদি আক্রান্ত হন তবে নবজাতককে জন্মের পরপরই ভ্যাকসিন দেওয়া
চিকিৎসা
আধুনিক চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহার করা হয় যা ভাইরাসের বৃদ্ধি কমায়। নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট এবং ভাইরাস লোড পরীক্ষা করা হয়।
হোমিওপ্যাথি বা বিকল্প চিকিৎসা
হোমিওপ্যাথি একটি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি। অনেক রোগী এটি গ্রহণ করেন সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। কিছু হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক দাবি করেন যে এটি রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত মূল চিকিৎসা হলো আধুনিক অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি।
জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস
– অ্যালকোহল পরিহার করা
– সুষম খাদ্য গ্রহণ
– পর্যাপ্ত বিশ্রাম
– নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
– লিভারের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ এড়িয়ে চলা
সামাজিক প্রভাব
হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত ব্যক্তিরা অনেক সময় সামাজিকভাবে বৈষম্যের শিকার হন। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রচার করা জরুরি।
এইসবিএস পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া মানে হলো ভাইরাস শরীরে সক্রিয় বা উপস্থিত। হোমিওপ্যাথি সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে মূল চিকিৎসা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে করতে হবে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, ভ্যাকসিন গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত পরীক্ষা রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যোগাযোগ
ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)
অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা
সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ
চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
সততা প্লাজা,
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
মোবাইল: 01762-240650
সেবাসমূহ :
শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।






