

কলিজা বা লিভারের ব্যথা সাধারণত লিভারের প্রদাহ, সংক্রমণ, অতিরিক্ত চর্বি জমা, অ্যালকোহল সেবন, হেপাটাইটিস বা অন্যান্য লিভারজনিত রোগের কারণে হতে পারে। প্রতিকার নির্ভর করে মূল কারণের উপর—সঠিক খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল এড়ানো, ওষুধের নিয়মিত ব্যবহার এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
কলিজা ব্যথার সম্ভাব্য কারণ
– হেপাটাইটিস (A, B, C ইত্যাদি): ভাইরাসজনিত সংক্রমণ লিভার ফুলে ওঠা ও ব্যথার কারণ হতে পারে।
– ফ্যাটি লিভার: অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে লিভার ভারী ও ব্যথাযুক্ত হয়।
– অ্যালকোহলজনিত ক্ষতি: দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মদ্যপান লিভার ক্ষতিগ্রস্ত করে।
– লিভার সিরোসিস: লিভারের কোষ ধ্বংস হয়ে শক্ত হয়ে গেলে ব্যথা ও জটিলতা দেখা দেয়।
– সংক্রমণ বা পিত্তথলির সমস্যা: লিভারের কাছাকাছি অঙ্গের প্রদাহও ব্যথার কারণ হতে পারে।
– ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ লিভারের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
লক্ষণ
– ডান পাশের উপরের পেটে ভারী ভাব বা ব্যথা
– বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা
– চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)
– অতিরিক্ত ক্লান্তি
– পেট ফোলা বা পানি জমা
প্রতিকার ও করণীয়
– চিকিৎসকের পরামর্শ: লিভারের ব্যথা অবহেলা করা উচিত নয়, সঠিক পরীক্ষা (রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাফি) দরকার।
– খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন:
– তেল-চর্বি কমানো
– প্রচুর শাকসবজি ও ফল খাওয়া
– পর্যাপ্ত পানি পান করা
– অ্যালকোহল ও ধূমপান এড়ানো
– ওষুধ সঠিকভাবে গ্রহণ: হেপাটাইটিস বা সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশিত ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।
– ওজন নিয়ন্ত্রণ: স্থূলতা কমানো ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে সহায়ক।
– বিশ্রাম ও নিয়মিত ব্যায়াম: শরীর সক্রিয় রাখা লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
কলিজা ব্যথা কোনো সাধারণ সমস্যা নয়; এটি লিভারের গুরুতর অসুস্থতার ইঙ্গিত হতে পারে। হেপাটাইটিস, ফ্যাটি লিভার, অ্যালকোহলজনিত ক্ষতি বা সিরোসিস এর মতো রোগ এর মূল কারণ। প্রতিকার হলো সঠিক খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল এড়ানো, নিয়মিত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ।
যোগাযোগ
ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)
অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা
সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ
চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
সততা প্লাজা,
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
মোবাইল: 01762-240650
সেবাসমূহ :
শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।


