নেভাস রোগের কারণ ও প্রতিকার কি?

নেভাস কোনো সংক্রামক রোগ নয়, বরং এটি ত্বকের একটি অবস্থা—সাধারণত ত্বকে জন্মানো তিল বা দাগ। বেশিরভাগ নেভাস ক্ষতিকর নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এগুলো ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, তাই পরিবর্তন লক্ষ্য করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।**

নেভাস কী?
–  নেভাস হলো ত্বকে রঙিন বা বর্ণহীন দাগ/তিল, যা মূলত মেলানোসাইট নামক রঞ্জক উৎপাদনকারী কোষের অতিবৃদ্ধির কারণে হয়।
– প্রকৃতি: এগুলো জন্মগতভাবে থাকতে পারে অথবা জীবনের পরবর্তী সময়ে তৈরি হতে পারে।
– সাধারণ বৈশিষ্ট্য: গোল বা ডিম্বাকৃতি, সমতল বা উঁচু, রঙ সাধারণত বাদামী, কালো, ট্যান বা কখনও গোলাপি।

নেভাসের প্রধান ধরন
| ধরন | বৈশিষ্ট্য | ঝুঁকি |
Congenital Melanocytic Nevus (CMN) | জন্মের সময় থাকে; ছোট (<1.5 সেমি), মাঝারি (1.5–20 সেমি), বড় (>20 সেমি) | বড় নেভাসে মেলানোমা (ত্বকের ক্যান্সার) ঝুঁকি বেশি |
Nevus of Ota | নীলচে-ধূসর দাগ, মুখ ও চোখের চারপাশে | বিরল ক্ষেত্রে চোখের সমস্যা বা ক্যান্সার ঝুঁকি |
Nevus Depigmentosus | হালকা রঙের স্থির দাগ, ছড়ায় না | ক্ষতিকর নয় |
Nevus Anemicus| রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ায় ফ্যাকাশে দাগ | ক্ষতিকর নয় |
Nevus Sebaceous | হলুদাভ, চুলবিহীন দাগ, সাধারণত মাথার ত্বকে | বয়ঃসন্ধিতে বড় হয়; কিছু ক্ষেত্রে টিউমার বা ক্যান্সার হতে পারে |

কারণ ও ঝুঁকি
– কারণ:
– জেনেটিক মিউটেশন (NRAS, BRAF জিনে পরিবর্তন)
– হরমোন পরিবর্তন (গর্ভাবস্থা, বয়ঃসন্ধি)
– অতিরিক্ত সূর্যালোক বা ট্যানিং
– ঝুঁকি বাড়ায়:
– ফর্সা ত্বক, ফ্রিকলস বা লাল চুল
– পরিবারে মেলানোমার ইতিহাস
– বারবার সানবার্ন হওয়া

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
– তিল/দাগের আকার, রঙ বা আকৃতি পরিবর্তন হলে
– চুলকানি, ব্যথা, রক্তপাত বা খোসা ওঠা শুরু হলে
– নতুন তিল ৩০ বছরের পর দেখা দিলে
– তিল অন্যগুলোর তুলনায় আলাদা দেখালে (“ugly duckling sign”)

প্রতিরোধ ও যত্ন
– সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন (SPF 30 বা তার বেশি)
– দুপুর ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সূর্যের আলো এড়িয়ে চলুন
– প্রতিমাসে ত্বক পরীক্ষা করুন নতুন বা পরিবর্তিত তিলের জন্য
– ট্যানিং বেড ব্যবহার করবেন না

নেভাস মূলত ত্বকের তিল বা দাগ, যা সাধারণত ক্ষতিকর নয়। তবে বড় জন্মগত নেভাস বা পরিবর্তনশীল তিল ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

*চেম্বার ও যোগাযোগ*

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

(ডিইউএমএস, বিএসএস)

চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A

ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

 চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

 সততা প্লাজা, 

 ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার 

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন 

রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে),

 হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

 প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ:  চিকিৎসক ; 01762240650

মুঠোফোন : 01742057854, 01777988889, 01960288007

 চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

 *চেম্বারে আসার আগে উপরোক্ত নাম্বারে কল করে সিরিয়াল নিয়ে আসবেন।

 *ঔষধ অর্ডার করে আপনার সাদা জায়গার কয়েকটি ছবি তুলে দিবেন। আর বয়স, কতদিন যাবত এই রোগ, অন্য কোনো রোগ- যেমন থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, এলার্জি, পলিপাস, টনসিল, হার্টের ব্লকেজ, উচ্চরক্তচাপ আছে কিনা তা জানাবেন।*

আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, যৌন রোগ, পলিপাস, টনসিল, কিডনী পাথর, মূত্রথলির পাথর, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

প্রকাশিত : সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ খ্রি.

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.
শেয়ার করুন: