

ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে ডায়াবেটিস, মূত্রনালীর সংক্রমণ, প্রোস্টেট সমস্যা, অতিসক্রিয় মূত্রথলি, গর্ভাবস্থা, মানসিক চাপ** বা অতিরিক্ত পানি/পানীয় গ্রহণ।
ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া চিকিৎসাবিজ্ঞানে পলিউরিয়া (Polyuria) নামে পরিচিত। এটি অস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং বিভিন্ন কারণে দেখা দেয়।
সাধারণ কারণসমূহ
– ডায়াবেটিস (Diabetes): রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি হলে শরীর অতিরিক্ত গ্লুকোজ বের করতে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়।
– মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI): সংক্রমণের কারণে বারবার প্রস্রাবের চাপ অনুভূত হয়, সাথে জ্বালা বা ব্যথা থাকতে পারে।
– প্রোস্টেট সমস্যা (পুরুষদের ক্ষেত্রে): প্রোস্টেট বড় হলে মূত্রথলির উপর চাপ পড়ে, ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়।
– অতিসক্রিয় মূত্রথলি (Overactive Bladder): ব্লাডারের পেশি অস্বাভাবিকভাবে সংকুচিত হলে বারবার প্রস্রাবের তাগিদ আসে।
– ডিহাইড্রেশন বা অতিরিক্ত পানি পান: শরীরের তরল ভারসাম্য নষ্ট হলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়।
– মূত্রথলির পাথর: ব্লাডারে পাথর থাকলে প্রস্রাবের চাপ ঘন ঘন আসে।
– গর্ভাবস্থা: জরায়ু বড় হয়ে ব্লাডারের উপর চাপ দেয়, ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়।
– মানসিক চাপ ও উদ্বেগ: স্ট্রেসের কারণে অনেক সময় প্রস্রাবের তাগিদ বেড়ে যায়।
সতর্কতার লক্ষণ
যদি ঘন ঘন প্রস্রাবের সাথে নিচের উপসর্গ থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
– প্রস্রাবে জ্বালা বা ব্যথা
– প্রস্রাবে রক্ত দেখা
– জ্বর বা শরীর ব্যথা
– রাতে বারবার প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভেঙে যাওয়া
– অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও ক্লান্তি (ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে)
কিছু ঘরোয়া উপায়
– ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা, কফি, কোলা) কমানো
– অতিরিক্ত পানি একসাথে না খেয়ে ভাগ করে পান করা
– ব্লাডার নিয়ন্ত্রণের জন্য কেগেল এক্সারসাইজ করা
– মানসিক চাপ কমাতে রিল্যাক্সেশন টেকনিক ব্যবহার করা
ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া সবসময় ডায়াবেটিসের লক্ষণ নয়, তবে এটি উপেক্ষা করা উচিত নয়। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা অন্য উপসর্গ থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
যোগাযোগ
ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)
অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা
সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ
চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
সততা প্লাজা,
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
মোবাইল: 01762-240650
সেবাসমূহ :
শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।
বুধবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৫






