সোরিয়াসিস চিহ্নিত করার উপায় কি? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

সোরিয়াসিস চিহ্নিত করার প্রধান উপায় হলো ত্বকে লালচে, খসখসে ও আঁশযুক্ত দাগ দেখা দেওয়া, যা সাধারণত কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক বা পিঠে বেশি হয়। নখে পরিবর্তন, চুলকানি এবং শুষ্কতা এ রোগের সাধারণ লক্ষণ। এটি সংক্রামক নয়, তবে দীর্ঘস্থায়ী ও পুনরাবৃত্তিমূলক।

সোরিয়াসিস চিহ্নিত করার উপায়

সাধারণ লক্ষণ
– ত্বকের দাগ: লালচে বা গোলাপি দাগ, যার উপর রূপালী-সাদা আঁশ জমে থাকে।
– শুষ্কতা ও চুলকানি: আক্রান্ত স্থানে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং চুলকানি বা জ্বালাপোড়া হতে পারে।
– পুরু ত্বক: আক্রান্ত অংশে ত্বক মোটা হয়ে যায়।
– নখের পরিবর্তন: নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া, গর্ত তৈরি হওয়া বা রঙ পরিবর্তন।
– চক্রাকারে দেখা দেওয়া: কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে লক্ষণ দেখা দিয়ে আবার কমে যেতে পারে।

আক্রান্ত স্থানের ধরন
– কনুই ও হাঁটু: সবচেয়ে সাধারণ জায়গা।
– মাথার ত্বক: খুশকির মতো আঁশযুক্ত দাগ।
– পিঠ ও হাতের তালু: শুষ্ক ও খসখসে দাগ।
– নখ: ভঙ্গুরতা ও গর্ত।

অন্যান্য রোগ থেকে পার্থক্য
– একজিমা: সাধারণত বেশি চুলকানি হয়, কিন্তু সোরিয়াসিসে আঁশযুক্ত দাগ বেশি স্পষ্ট।
– দাদ (ফাঙ্গাল ইনফেকশন): দাগ গোলাকার হয় এবং ছড়িয়ে পড়ে, সোরিয়াসিসে তা স্থায়ী ও মোটা হয়।

দ্রুত চিহ্নিত করার টিপস
– যদি লালচে দাগের উপর সাদা আঁশ দেখা যায় এবং তা চুলকানি বা শুষ্কতার সাথে থাকে, তবে সোরিয়াসিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
– নখে পরিবর্তন থাকলে তা সোরিয়াসিসের বিশেষ লক্ষণ।
– লক্ষণগুলো চক্রাকারে আসে ও যায়, যা একজিমা বা সাধারণ অ্যালার্জি থেকে আলাদা।

সতর্কতা
– সোরিয়াসিস সংক্রামক নয়, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী।
– মানসিক চাপ, অ্যালকোহল, ধূমপান, সংক্রমণ বা ঠান্ডা আবহাওয়া এ রোগকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
– সঠিক নির্ণয়ের জন্য **ত্বক বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া জরুরি**।

তুলনামূলক টেবিল

| রোগের নাম | প্রধান লক্ষণ | আক্রান্ত স্থান | সংক্রামক কিনা |
|—————|————–|—————-|—————-|
| সোরিয়াসিস | লাল দাগ, আঁশ, শুষ্কতা, নখের পরিবর্তন | কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক, নখ | ❌ নয় |
| একজিমা | চুলকানি, ফোলা, লালচে ভাব | হাত, মুখ, শরীরের ভাঁজ | ❌ নয় |
| দাদ | গোলাকার দাগ, ছড়িয়ে পড়া | শরীরের বিভিন্ন অংশ | ✅ হ্যাঁ |

 

সোরিয়াসিসের লক্ষণ কখন বাড়তে পারে
– শীতকালে: ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক বেশি খসখসে হয়।
– মানসিক চাপের সময়ে: স্ট্রেস থাকলে সোরিয়াসিস হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে।
– সংক্রমণ বা অসুস্থতার পর: ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে লক্ষণ তীব্র হতে পারে।
– অ্যালকোহল ও ধূমপান: এ অভ্যাসগুলো রোগকে বাড়িয়ে দেয়।
– ওষুধ পরিবর্তন বা হরমোনাল পরিবর্তন: কিছু ওষুধ বা শারীরিক পরিবর্তনের কারণে সোরিয়াসিস আবার দেখা দিতে পারে।

অর্থাৎ, সোরিয়াসিসের লক্ষণ নির্দিষ্ট “দিন” নয়, বরং পরিস্থিতি ও মৌসুমে বেশি প্রকট হয়।

চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন।

 হাকীম মিজানুর রহমান

(ডিইউএমএস, বিএসএস)

রেজি নাম্বার : 3546/A,

ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার,

সততা প্লাজা, প্লট নং ২৬. গাউছিয়া মডেল টাউন,

রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

(এ ছাড়া আমাদের অন্য কোথায়ও শাখা নেই।)

প্রয়োজনে এই নাম্বারে কল করতে পারেন :

ইমো হোয়াটস অ্যাপ : 01762240650

 

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.

 

শেয়ার করুন: