
এটোপিক ডার্মাটাইটিস Atopic Dermatitis হলো এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ। একে আমরা সাধারণভাবে একজিমা Eczema নামেও চিনি।
এটা আসলে কী হয়?
এটোপিক ডার্মাটাইটিস হলে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা-ব্যারিয়ার দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও অতি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে সহজেই অ্যালার্জেন, ধুলাবালি, ব্যাকটেরিয়া ঢুকে যায় এবং চুলকানি ও প্রদাহ হয়।
মূল লক্ষণগুলো:
– তীব্র চুলকানি— রাতে বেশি বাড়ে, চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভাঙতে পারে
– লালচে র্যাশ — শিশুদের গালে, কনুইয়ের ভাঁজে, হাঁটুর পেছনে বেশি হয়। বড়দের হাত, পা, ঘাড়, চোখের পাতায় বেশি দেখা যায়
– শুষ্ক, ফাটা ত্বক — অনেক সময় চামড়া উঠে যায় বা মোটা হয়ে যায়
– ফুসকুড়ি ও পানি পড়া — বেশি চুলকালে ঘা হয়ে পানি বা কষ বের হতে পারে
– চামড়ার রং পরিবর্তন — ভালো হয়ে গেলেও দাগ থেকে যেতে পারে
কেন হয়?
এটার নির্দিষ্ট একটা কারণ নেই। কয়েকটা জিনিস একসাথে কাজ করে:
1. জেনেটিক — পরিবারে অ্যাজমা, হে ফিভার বা একজিমা থাকলে হওয়ার ঝুঁকি বেশি। Filaggrin নামের প্রোটিনের ঘাটতি থাকলে ত্বকের ব্যারিয়ার দুর্বল হয়।
2. ইমিউন সিস্টেম — শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ত্বকে প্রদাহ তৈরি করে।
3. ট্রিগার — ধুলাবালি, পশুর লোম, সাবান-ডিটারজেন্ট, ঘাম, গরম বা ঠান্ডা আবহাওয়া, মানসিক চাপ, কিছু খাবার যেমন ডিম, বাদাম, দুধ এগুলো বাড়িয়ে দিতে পারে।
এটা কি ছোঁয়াচে?
না, এটোপিক ডার্মাটাইটিস একদমই ছোঁয়াচে নয়। একজনের থেকে আরেকজনের হবে না।
চিকিৎসা ও যত্ন কী?
এই রোগের চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে সাত থেকে আট মাস একটানা ঔষধ সেব্ন ও ব্যবহার করতে হবে। নিচে চিকিৎসকের ঠিকানা ও ইমো/হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার দেওয়া আছে। যোগাযোগ করে ঔষধ নিয়ে আরোগ্য লাভ করতে পারবেন।
বেসিক যত্ন:
– ময়েশ্চারাইজার — দিনে ২-৩ বার। গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে লাগালে সবচেয়ে ভালো কাজ করে
– হালকা সাবান — সুগন্ধি ও ক্ষারযুক্ত সাবান এড়িয়ে চলা
– অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল না করা — কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন, ৫-১০ মিনিটের বেশি না
– সুতির নরম কাপড় — উল বা সিনথেটিক কাপড় চুলকানি বাড়ায়
ডাক্তারি চিকিৎসা:
– স্টেরয়েড মলম — প্রদাহ কমাতে
– ক্যালসিনিউরিন ইনহিবিটর মলম — মুখের মতো স্পর্শকাতর জায়গার জন্য
– অ্যান্টিহিস্টামিন — চুলকানি কমাতে, বিশেষ করে রাতে
– বেশি খারাপ হলে ডাক্তার মুখে খাওয়ার ওষুধ বা ফটোথেরাপি দিতে পারেন
বেশিরভাগ শিশুর ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটা অনেক কমে যায় বা একেবারে চলে যায়। তবে কারো কারো প্রাপ্তবয়স্ক বয়সেও থাকে।
যদি চুলকানি, র্যাশ খুব বেশি হয় বা ঘা হয়ে ইনফেকশন মনে হয়, তাহলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করে নেওয়া ভালো। আপনার বা পরিবারের কারো কি এই সমস্যা হচ্ছে? লক্ষণগুলো কেমন?
সারাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার যোগে অর্ডার অনুযায়ী ঔষধ পাঠানো হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।
*চেম্বার ও যোগাযোগ*
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.
চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
সততা প্লাজা, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার , প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন,
রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ: 01762240650
চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*
আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, সাদা স্রাব (লিকোরিয়া), মেছতা, কিডনী পাথর, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।








