ত্বকে অতিরিক্ত আঁচিল হওয়ার কারণ ও প্রতিকার কি?

আঁচিল হচ্ছে ছোট রুক্ষ প্রবৃদ্ধি যা চামড়ার উপর অনেকটা ফুলকপির মত বৃদ্ধি অথবা কঠিন ফোস্কার মত দেখায় । এটা সাধারণত মানুষের হাতে বা পায়ে অথবা শরীরের অন্যান্য স্থানে দেখা দেয়। মানবদেহে ১০ রকমের আঁচিল বা ফুসকুড়ি হতে পারে, এর মধ্যে বেশিরভাগগুলোকেই নিরীহ বলে মনে করা হয় ।

অনেকের ত্বকেই অতিরিক্ত আঁচিল দেখা দেয়। নারী-পুরুষ উভয়েরই আঁচিল হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আঁচিল হওয়ার হারও বেড়ে যায় অনেকের। বিশেষ করে মধ্যবয়সের পর আঁচিল হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

যদিও এর কারণ হতে পারে ডায়াবেটিস, স্থূলতাসহ নানা ব্যাধির কারণে। আবার জিনগত কারণেও শরীরে আঁচিল দেখা দিতে পারে।

এছাড়া যাদের ওজন খুব বেশি ও গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে অনেক সময় ৪-৫ মাসের দিকে আঁচিলের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অনেকেই ভয় পান যে, আঁচিল মানেই হয়তো ক্যানসারের লক্ষণ। বিষয়টি মোটেও ঠিক নয়। কারণ সব আঁচিলই যে ক্যানসারের কারণ হবে তা কিন্তু নয়। তবে কেন আঁচিল হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের বাইরের স্তরে কিছু কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধি হলে আঁচিল তৈরি হয়। আবার ত্বকের দুটি স্তর পরস্পর ঘষা খেলেও অনেক সময় আঁচিল হতে পারে। এ কারণে বগল, চোখের পাতা, কুচকি কিংবা ঘাড়ে ছোট-বড় আঁচিল হতে দেখা যায়।

আবার ডায়াবিটিস কিংবা স্থূলতাও শরীরে অতিরিক্ত আঁচিলের কারণ হতে পারে। শরীরে মেলানিনের উৎপাদন বেড়ে গেলেও আঁচিল হতে পারে। এমনকি সূর্যের তাপে অনেকক্ষণ থাকলে চামড়া পুড়ে যাওয়ার কারণেও আঁচিল হতে পারে।

শরীরে আঁচিল হওয়া কি কোনো রোগের লক্ষণ?

চর্ম বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত আঁচিল শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর নয়। তবে দেহের বিভিন্ন স্থানে আঁচিল হলে তা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে মুখে অত্যধিক আঁচিল সৌন্দর্য অনেকটাই নষ্ট করে দেয়। যদিও আঁচিল হলে তাতে ব্যথা হওয়ার কথা নয়।

তবে যদি দেখেন আঁচিলের চারপাশে ব্যথা হচ্ছে, সেখান থেকে রক্তপাত হচ্ছে কিংবা একই স্থানে একাধিক আঁচিল দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যদি আঁচিল ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে তা ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। সাধারণ মানুষের পক্ষে আঁচিল না ক্যানসার তা বোঝা সহজ নয়। তাই এ বিষয়ে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কারণ
মানবদেহে পাপিলোমা ভাইরাস (এইচ পি ভি) এর সংক্রমনের কারণে বিভিন্ন ধরনের আঁচিল হয়ে থাকে । এখন পর্যন্ত জানামতে প্রায় ১৩০ ধরনের পাপিলোমা ভাইরাস যা মানবদেহে সংক্রমন ঘটিয়ে থাকে, পাওয়া গেছে ।

প্রতিরোধ
র্ডাসিল হচ্ছে একটি এইচ পি ভি ভ্যাকসিন যা সার্ভিকাল ক্যান্সার ও যৌনাঙ্গের আঁচিল প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। গার্ডাসিল ভ্যাকসিনটি এইচ পি ভি ধরন-১৬, ১৮, ৬ এবং ১১ কে প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এইচ পি ভি ধরন-১৬ এবং ১৮, ৭০% সার্ভিকাল ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রায় অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় । এছাড়াও স্ত্রীযোনিদ্বার, স্ত্রীযোনি,পুরুষ যৌনাঙ্গ, পায়ুপথ ক্যান্সার এই দুই ধরনের এইচ পি ভি দ্বারা সংঘটিত হয়ে থাকে । এইচ পি ভি ধরন-৬ এবং ১১, ৯০ শতাংশ যৌনাঙ্গের আঁচিল এর জন্য দায়ী ।

নিষ্ক্রিয়করণ
এই ভাইরাসটিকে সাধারনভাবে প্রচলিত জীবাণুনাশক দ্বারা নিষ্ক্রিয়করন তুলনামূলকভাবে কঠিন । ৯০% ইথানল, ২% গ্লুটারাল্ডিহাইড, ৩০% স্যাভলন এবং ১% সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট মিশ্রনে অন্তত ১ মিনিট রাখলে এই জীবাণুটিকে নিষ্ক্রিয়করন করা সম্ভব।

ভাইরাসটি তাপ এবং উষ্ণতা প্রতিরোধী, কিন্তু ১০০° সেলসিয়াস (২১২° ফারেনহাইট) এবং আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি দ্বারা একে নিহত করা সম্ভব।

চিকিৎসাপদ্ধতি
আঁচিল অপসারণের জন্য অনেক চিকিৎসা এবং পদ্ধতি বিদ্যমান রয়েছে। এর মধ্যে স্যালিসিলিক এসিড সম্পৃক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি অধিক কার্যকারিতা লাভ করেছে। ক্রায়োথেরাপি পদ্ধতিও স্যালিসিলিক এসিডের মতই কার্যকরী দৃশ্যমান হয়, তবে এ ক্ষেত্রে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও হয়নি ।

ঔষধপ্রয়োগ
একজন চর্মরোগবিশেষজ্ঞ স্যালিসিলিক এসিড সমৃদ্ধ ওষুধ প্রস্তাব করতে পারেন ।
ইমিকুইমড একটি প্রচলিত ক্রিম যা শরীরের ভাইরাস প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে আঁচিলের ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে থাকে। ক্যানথারিডিন, এককভাবে অথবা পোডোফিলিন এর সাথে প্রক্রিয়াকরণ অবস্থায় পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।

আরেকটি ওষুধ ব্লিয়োমাইসিন, যার প্রয়োগে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দৃষ্ট হয়ে থাকে । যে ক্ষেত্রে একটি কিংবা দুটি ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। ডাইনাইট্রোক্লোরোবেনজিন (ডিএনসিবি) ব্যবহারের মাধ্যমে ।

বিস্তারিত জানতে নিম্নোক্ত চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন। 

শারীরিক অক্ষমতার কারণ ও প্রতিকার

পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা অথবা পুরু/ষত্ব হীনতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌ/ন সমস্যা।

অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।

কিন্তু কারণ কি পুরুষদের এই ক্রমশ শারীরিকভাবে অক্ষম বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের বর্তমানের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেই।

হ্যাঁ, আপনার প্রতিদিনের স্ট্রেসভরা অস্বাস্থ্যকর জীবন, আপনার নিজের কোনও একটা ভুলই হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। অথবা হতে পারে আপনার শরীরে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে যৌ/ন হরমোনের পরিমাণ, যা আপনার সংসারকে করছে অশান্তিময়।

কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার আগে জানতে হবে পুরুষের একান্ত দুর্বলতাগুলো কী কী বা কেমন হতে পারে। তা জেনে নিলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আপনার সমস্যাটা কোথায়।

শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-

১. ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লি/ঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। এতে করে লিং/গের উত্থানে সমস্যা তৈরি, যাতে করে দীর্ঘদিন যাবত লিং/গ গরম হয় না এবং সহ/বাসের উপযোগী হয় না।

২. পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লি/ঙ্গের যো/নিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যো/নিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া। এতে করে মাঝে মাঝে লিং/গ উত্থিত বা গরম হয় আবার গরম হয়েও শীতল হয়ে যায়। আবার গরম হলেও স্ত্রী যো/নীতে প্রবেশ করা মাত্রই তা নরম হয় যায়, ফলে সংসারে বাড়ে অশান্তি। বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়তে থাকে।

৩. প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহ/বাসে দ্রুত বী/র্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব। এতে করে পুরুষের লিং/গ গরম হলেও তা খুব দ্রুতই পতন হয় বা বী/র্য আউট হয়ে যায়। তাতে নারী এবং কেউ পরম সুখলাভ করতে পারে না।

এ সমস্যার জন্য নাইট কিং পাউডার ও সিরাপ বেশ কার্যকরী ঔষধ। এই ঔষধ সেবনে উপরোক্ত সমস্যার সমাধান হবে, ইনশাল্লাহ।

কারণগুলি কি কি হতে পারে ?

প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো-

১. ডায়াবেটিস,

২. লি/ঙ্গে জন্মগত কোনওপ্রকার ত্রুটি,

৩. সে/ক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা,

৪. গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌ/নরোগ ইত্যাদি।

তাছাড়াও প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌ/ন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।

আবার অতিরিক্ত যৌ/ন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মা/স্টার/বেট বা হ/স্তমৈ/থুন করা, যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না।

এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে বয়সের পার্থক্য বা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, এইডসভীতি, পর্যাপ্ত যৌ/ন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌ/নাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

কী কি করবেন ?
প্রথমেই যা করবেন, সেটা হলো নিম্নোক্ত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা না করে নিজের সমস্ত সমস্যা খুলে বলুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মত প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা নিন।

এতে লজ্জার কিছুই নেই। একটাই জীবন। লজ্জার চাইতে নিজেকে সুস্থ ও সক্ষম রাখা জরুরী। তাই দ্বিধাহীন চিত্তে যোগাযোগ করুন। আপনার সমস্যা অনুসারে আপনাকে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।

আপনার ডায়াবেটিস থাকলে প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
নিজের জীবনধারাকে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনে বদলে ফেলুন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান, ব্যায়াম করুন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান, চেষ্টা করে কাজের চাপের মাঝেও বিশ্রাম নিতে। আপনার শরীর যখন সুস্থ ও সক্ষম থাকবে, যৌনজীবনও থাকবে সুন্দর।

সঙ্গীর সাথে রোমান্টিক জীবনের উন্নতি করুন। এক ঘেয়ে যৌ/ন জীবনে নানান রকমের চমক ও আনন্দ নিয়ে আসুন। তাঁকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যে নতুন চমক এলে আপনার মানসিকভাবে সাহায্য হবে। রোমান্টিক বেডরুম, আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, সে/ক্স টয় ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।

যদি সঙ্গীকে অপছন্দ করার কারণে সমস্যা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন সঙ্গীকে ভালবাসতে। তার সাথে দূরে কোথাও নিরিবিলি বেড়াতে যান, তাঁকে গভীর ভাবে জানার চেষ্টা করুন। আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ার চেষ্টা করুন।

মানসিকভাবে প্রেমে পরলে শরীরটাও সাড়া দেবে। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, বাস্তবের নারীর সাথে সিনেমার নায়িকা বা প/র্ণ স্টারদের মিল খুঁজতে যাবেন না। নিজের দিকে তাকান, নিজের সাধারণত্ব দেখুন। দেখবেন, সঙ্গীকেও আর খারাপ লাগছে না।

কী করা উচিত নয় ?
অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌ/নজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।

বাজারে সাময়িকভাবে যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।

যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। তাই প্রথমেই আমাদেরকে বুঝতে হবে যৌ/ন রোগ কী?

যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন :

১. সহ/বাসে অসমার্থতা।

২. দ্রু/ত বী/র্যপাত।

৩. অসময়ে বী/র্যপাত।

৪. সহ/বাসের আগেই বী/র্যপাত। অর্থাৎ নারীদেহ কল্পনা করলেই বী/র্যপাত হয়ে যাওয়া।

৫. প্রস্রাবের সাথে বী/র্যপাত।

৬. প্রস্রাবের বেগ হলেই বী/র্যপাত। স্বপ্নদোষ। মেহ রোগ।

৭. যৌ/নবাহিত রোগ। যেমন. গনোরিয়া, ক্লামিডিয়া, হার্পিস ইত্যাদি।

ওপরের ছয় নম্বর পর্যন্ত রোগের চিকিৎসা এক প্রকারের। আর তা হচ্ছে : নাইট কিং নিয়মিত সেবন করা। কয়েক মাস সেবন করলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

নাইট কিং খুব ভালো মানের ঔষধ। যা সেবন আপনি দ্রুত বী/র্যপাত থেকে মুক্তি পাবেন। আর সাত নম্বর রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে দীর্ঘদিন যাবত ঔষধ সেবন করতে হবে।

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত চিকিৎসক। 

গভ. রেজি নং ৩৫৪৬/ এ

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

(বিএসএস, ডিইউএমএস)
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।

মুঠোফোন : »(ইমো/হোয়াটস অ্যাপ)

(চিকিৎসক) :  01762240650 

মুঠোফোন : 01960288007 

 (সকাল দশটা থেকে বিকেল ৫টা)

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

শ্বেতীরোগ একজিমাযৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

আরো পড়ুন : মেহ-প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের প্রতিকার

আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ

আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

আরো পড়ুন :  নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং চিকিৎসা

আরো পড়ুন : দীর্ঘস্থায়ী সহবাস করার উপায়

আরও পড়ুন: বীর্যমনি ফল বা মিরছিদানার উপকারিতা

শেয়ার করুন: