রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হলে কি করবেন?

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (RA) হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী স্বতঃঅনাক্রম্য রোগ যা প্রাথমিকভাবে অস্থিসন্ধিকে প্রভাবিত করে। ফলে উষ্ণ, ফোলা এবং বেদনাদায়ক অস্থিসন্ধি পরিলক্ষিত হয়। বিশ্রামের পরে ব্যথা অনুভুত হয়।

এ রোগে সাধারণত কব্জি এবং হাতের অস্থিসন্ধিগুলো বেশি জড়িত থাকে এবং শরীরের উভয় পাশে একই সাথে হয়ে থাকে। এই রোগটি ত্বক, চোখ, ফুসফুস, হৃৎপিন্ড, স্নায়ু এবং রক্ত সহ শরীরের অন্যান্য অংশকেও প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে রক্তশূন্যতা, ফুসফুসের চারপাশে প্রদাহ এবং হৃদপিণ্ডের চারপাশে প্রদাহ হতে পারে। পাশাপাশি মাঝেমধ্যে জ্বর এবং দূর্বলতা দেখা দেয়। প্রায়শই, লক্ষণগুলি কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে আসে।

যদিও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের কারণ স্পষ্ট নয়, তবে এটি বংশানুগত এবং পরিবেশগত কারণে হয় বলে বলে মনে করা হয়। অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়াটি শরীরের অস্থিসন্ধিগুলোতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আক্রমণ করে। এর ফলে সন্ধি আবরণে প্রদাহ হয় এবং ঘন হয়ে যায়।এটি হাড় এবং তরুণাস্থিকেও প্রভাবিত করে।

রোগ নির্ণয় বেশিরভাগই একজন ব্যক্তির লক্ষণ এবং উপসর্গের ভিত্তিতে করা হয়। এক্স-রে এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষা রোগ নির্ণয় সমর্থন করতে পারে বা অনুরূপ উপসর্গ সহ অন্যান্য রোগ বাদ দিতে পারে। অন্যান্য রোগ যা একইভাবে উপস্থিত হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমাটোসাস, সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস এবং ফাইব্রোমায়ালজিয়া ।

লক্ষণ ও উপসর্গ
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস প্রাথমিকভাবে অস্থিসন্ধিগুলোকে প্রভাবিত করে। তবে এটি ১৫-২৫% এরও বেশি ক্ষেত্রে অন্যান্য অঙ্গগুলিকেও প্রভাবিত করে। এ ক্ষেত্রে উদ্ভূত জটিলতাগুলোর মধ্যে রয়েছে রয়েছে সংবহনতন্ত্রের রোগ, অস্টিওপোরোসিস, আন্তঃস্থায়ী ফুসফুসের রোগ, সংক্রমণ, ক্যান্সার, ক্লান্ত বোধ করা, হতাশা, মানসিক অসুবিধা এবং কাজ করতে সমস্যা।

ডায়াগ্রামটিতে দেখানো হয়েছে কিভাবে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস অস্থিসন্ধিকে প্রভাবিত করে

ঝুঁকি
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকির মধ্যে বংশানুগত এবং পরিবেশগত বিভিন্ন প্রভাবক জড়িত।

বংশানুগত
বিশ্বব্যাপী প্রায় ১% প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত। গবেষণায় দেখা গেছে যে ৪০-৬০ বছর বয়সে এবং মহিলাদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। পারিবারিক ইতিহাস রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি প্রায় তিন থেকে পাঁচ গুণ ঝুঁকি বাড়ায়। ২০১৬ সালের হিসাবে, এটি অনুমান করা হয়েছিল যে জেনেটিক্স সেরোপজেটিভ ৪০-৬৫% ক্ষেত্রে দায়ী হতে পারে। আর সেরোনেগেটিভ রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মাত্রা ৩০%। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত টিস্যু মেজর হিস্টোকম্প্যাটিবিলিটি কমপ্লেক্স (এমএইচসি) অ্যান্টিজেনের জিনের সাথে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস দৃঢ়ভাবে জড়িত। এইচএলএ-ডিআর ৪ হল প্রধান জেনেটিক ফ্যাক্টর যা জাতিগত গোষ্ঠী অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।

পরিবেশগত
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের জন্য প্রতিষ্ঠিত এপিজেনেটিক এবং পরিবেশগত ঝুঁকির কারণ রয়েছে। ককেশীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধূমপান একটি প্রতিষ্ঠিত ঝুঁকির কারণ। অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীদের ঝুঁকি তিনগুণ বেশি। বিশেষত পুরুষ, ভারী ধূমপায়ী এবং যাদের রিউম্যাটয়েড ফ্যাক্টর পজিটিভ। পরিমিত অ্যালকোহল সেবন ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিরক্ষামূলক হতে পারে।

ক্রমাগত সিলিকার সংস্পর্শে আসলে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

চিকিৎসা :

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ব্যথা ও অক্ষমতা উপশমে সবচেয়ে উপকারী ওষুধ অ্যাসপিরিন এবংআইবুপ্রোফেন, যার প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বড় ডোজ যথেষ্ট না হলে , ছোট ডোজকর্টিকোস্টেরয়েড যেমন প্রিডনিসোন ব্যবহার করা যেতে পারে।

রোগ-সংশোধনকারী অ্যান্টি-রিউমেটিক ওষুধ (DMARDs)ও রোগের গতিপথকে ধীর করার জন্য নির্ধারিত হতে পারে। শারীরিক থেরাপি প্রভাবিত জয়েন্টগুলিতে ব্যথা এবং ফোলাভাব উপশম করতে সহায়ক, জয়েন্টগুলিতে তাপ প্রয়োগের উপর জোর দিয়ে তারপর ব্যায়াম যা গতির পরিধি প্রসারিত করে। বিকৃতি রোধ করার জন্য একটি ভাল ভঙ্গি বজায় রাখার সাথে সাথে বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ।

গুরুতর ব্যথা বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে, ধ্বংসপ্রাপ্ত নিতম্ব, হাঁটু বা আঙুলের জয়েন্টগুলিকে কৃত্রিম বিকল্প দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে অস্ত্রোপচার ব্যবহার করা হয়। অর্থোপেডিক যন্ত্রপাতিগুলি প্রায়শই স্থূল বিকৃতি এবং ত্রুটি সংশোধন বা প্রতিরোধ করতে ব্যবহৃত হয়। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ফলাফল অপ্রত্যাশিত, আক্রান্ত ব্যক্তিরা হয় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন বা পঙ্গু রোগে অগ্রসর হন।

শারীরিক অক্ষমতার কারণ ও প্রতিকার

পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা অথবা পুরু/ষত্ব হীনতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌ/ন সমস্যা।

অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।

কিন্তু কারণ কি পুরুষদের এই ক্রমশ শারীরিকভাবে অক্ষম বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের বর্তমানের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেই।

হ্যাঁ, আপনার প্রতিদিনের স্ট্রেসভরা অস্বাস্থ্যকর জীবন, আপনার নিজের কোনও একটা ভুলই হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। অথবা হতে পারে আপনার শরীরে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে যৌ/ন হরমোনের পরিমাণ, যা আপনার সংসারকে করছে অশান্তিময়।

কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার আগে জানতে হবে পুরুষের একান্ত দুর্বলতাগুলো কী কী বা কেমন হতে পারে। তা জেনে নিলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আপনার সমস্যাটা কোথায়।

শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-

১. ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লি/ঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। এতে করে লিং/গের উত্থানে সমস্যা তৈরি, যাতে করে দীর্ঘদিন যাবত লিং/গ গরম হয় না এবং সহ/বাসের উপযোগী হয় না।

২. পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লি/ঙ্গের যো/নিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যো/নিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া। এতে করে মাঝে মাঝে লিং/গ উত্থিত বা গরম হয় আবার গরম হয়েও শীতল হয়ে যায়। আবার গরম হলেও স্ত্রী যো/নীতে প্রবেশ করা মাত্রই তা নরম হয় যায়, ফলে সংসারে বাড়ে অশান্তি। বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়তে থাকে।

৩. প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহ/বাসে দ্রুত বী/র্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব। এতে করে পুরুষের লিং/গ গরম হলেও তা খুব দ্রুতই পতন হয় বা বী/র্য আউট হয়ে যায়। তাতে নারী এবং কেউ পরম সুখলাভ করতে পারে না।

এ সমস্যার জন্য নাইট কিং পাউডার ও সিরাপ বেশ কার্যকরী ঔষধ। এই ঔষধ সেবনে উপরোক্ত সমস্যার সমাধান হবে, ইনশাল্লাহ।

কারণগুলি কি কি হতে পারে ?

প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো-

১. ডায়াবেটিস,

২. লি/ঙ্গে জন্মগত কোনওপ্রকার ত্রুটি,

৩. সে/ক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা,

৪. গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌ/নরোগ ইত্যাদি।

তাছাড়াও প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌ/ন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।

আবার অতিরিক্ত যৌ/ন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মা/স্টার/বেট বা হ/স্তমৈ/থুন করা, যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না।

এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে বয়সের পার্থক্য বা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, এইডসভীতি, পর্যাপ্ত যৌ/ন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌ/নাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

কী কি করবেন ?
প্রথমেই যা করবেন, সেটা হলো নিম্নোক্ত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা না করে নিজের সমস্ত সমস্যা খুলে বলুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মত প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা নিন।

এতে লজ্জার কিছুই নেই। একটাই জীবন। লজ্জার চাইতে নিজেকে সুস্থ ও সক্ষম রাখা জরুরী। তাই দ্বিধাহীন চিত্তে যোগাযোগ করুন। আপনার সমস্যা অনুসারে আপনাকে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।

আপনার ডায়াবেটিস থাকলে প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
নিজের জীবনধারাকে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনে বদলে ফেলুন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান, ব্যায়াম করুন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান, চেষ্টা করে কাজের চাপের মাঝেও বিশ্রাম নিতে। আপনার শরীর যখন সুস্থ ও সক্ষম থাকবে, যৌনজীবনও থাকবে সুন্দর।

সঙ্গীর সাথে রোমান্টিক জীবনের উন্নতি করুন। এক ঘেয়ে যৌ/ন জীবনে নানান রকমের চমক ও আনন্দ নিয়ে আসুন। তাঁকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যে নতুন চমক এলে আপনার মানসিকভাবে সাহায্য হবে। রোমান্টিক বেডরুম, আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, সে/ক্স টয় ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।

যদি সঙ্গীকে অপছন্দ করার কারণে সমস্যা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন সঙ্গীকে ভালবাসতে। তার সাথে দূরে কোথাও নিরিবিলি বেড়াতে যান, তাঁকে গভীর ভাবে জানার চেষ্টা করুন। আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ার চেষ্টা করুন।

মানসিকভাবে প্রেমে পরলে শরীরটাও সাড়া দেবে। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, বাস্তবের নারীর সাথে সিনেমার নায়িকা বা প/র্ণ স্টারদের মিল খুঁজতে যাবেন না। নিজের দিকে তাকান, নিজের সাধারণত্ব দেখুন। দেখবেন, সঙ্গীকেও আর খারাপ লাগছে না।

কী করা উচিত নয় ?
অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌ/নজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।

বাজারে সাময়িকভাবে যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।

যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। তাই প্রথমেই আমাদেরকে বুঝতে হবে যৌ/ন রোগ কী?

যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন :

১. সহ/বাসে অসমার্থতা।

২. দ্রু/ত বী/র্যপাত।

৩. অসময়ে বী/র্যপাত।

৪. সহ/বাসের আগেই বী/র্যপাত। অর্থাৎ নারীদেহ কল্পনা করলেই বী/র্যপাত হয়ে যাওয়া।

৫. প্রস্রাবের সাথে বী/র্যপাত।

৬. প্রস্রাবের বেগ হলেই বী/র্যপাত। স্বপ্নদোষ। মেহ রোগ।

৭. যৌ/নবাহিত রোগ। যেমন. গনোরিয়া, ক্লামিডিয়া, হার্পিস ইত্যাদি।

ওপরের ছয় নম্বর পর্যন্ত রোগের চিকিৎসা এক প্রকারের। আর তা হচ্ছে : নাইট কিং নিয়মিত সেবন করা। কয়েক মাস সেবন করলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

নাইট কিং খুব ভালো মানের ঔষধ। যা সেবন আপনি দ্রুত বী/র্যপাত থেকে মুক্তি পাবেন। আর সাত নম্বর রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে দীর্ঘদিন যাবত ঔষধ সেবন করতে হবে।

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম ডা. মিজানুর রহমান

(বিএসএস, ডিইউএমএস)

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।

চিকিৎসকের মুঠোফোন : 

01762240650

( ইমো, হোয়াটস অ্যাপ)

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

শ্বেতীরোগ একজিমাযৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

আরো পড়ুন : মেহ-প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের প্রতিকার

আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ

আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ

আরো পড়ুন :  নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং চিকিৎসা

আরো পড়ুন : দীর্ঘস্থায়ী সহবাস করার উপায়

আরও পড়ুন: বীর্যমনি ফল বা মিরছিদানার উপকারিতা

শেয়ার করুন: