পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম বা PCOS কি? কারণ ও প্রতিকার

PCOS কি?

PCOS এর পূর্ণরূপ Polycystic Ovary Syndrome। বাংলায় একে বলা হয় পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম।

এটা মেয়েদের হরমোনজনিত একটি কমন সমস্যা। প্রজননক্ষম বয়সের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জনের এই সমস্যা থাকে।

সহজভাবে বুঝুন:

PCOS হলে মেয়েদের শরীরে ৩টা জিনিস একসাথে ঘটে:

1. হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়
শরীরে পুরুষ হরমোন Androgen স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তৈরি হয়। এজন্য মুখে লোম, ব্রণ, চুল পড়ার সমস্যা হয়।

2. ওভারিতে ছোট ছোট সিস্ট হয়
ওভারিতে অনেকগুলো ছোট অপরিপক্ব ডিম্বাণু জমে সিস্টের মতো দেখায়। এজন্য নাম Polycystic বা বহু সিস্ট। কিন্তু সব PCOS রোগীর ওভারিতে সিস্ট থাকেই এমন না।

3. ডিম্বাণু ঠিকমতো বড় হয় না
প্রতি মাসে পিরিয়ডের সময় একটা ডিম্বাণু বড় হয়ে ফাটার কথা। PCOS-এ সেটা হয় না। তাই পিরিয়ড অনিয়মিত হয় বা বন্ধ থাকে। বাচ্চা নিতেও সমস্যা হতে পারে।

PCOS এর মূল লক্ষণগুলো:

– অনিয়মিত পিরিয়ড*: ২-৩ মাস পরপর পিরিয়ড হওয়া, বা বছরে ৮ বারের কম হওয়া
– অতিরিক্ত লোম: মুখে, বুকে, পেটে, পিঠে ছেলেদের মতো লোম গজানো
– ব্রণ ও তেলতেলে ত্বক: বিশেষ করে চোয়ালের দিকে প্রচুর ব্রণ
– ওজন বেড়ে যাওয়া: বিশেষ করে পেটে মেদ জমা। ওজন কমানো কঠিন হয়
– মাথার চুল পড়া: ছেলেদের মতো কপালের দুই পাশ থেকে চুল পাতলা হওয়া
– গর্ভধারণে সমস্যা: ডিম্বাণু না ফোটার কারণে বাচ্চা কনসিভ করতে দেরি হয়
– ঘাড় বা গলায় কালো দাগ: একে Acanthosis Nigricans বলে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের জন্য হয়

কেন হয়?

সঠিক কারণ এখনো ১০০% জানা যায়নি। তবে ২টা জিনিস বড় ভূমিকা রাখে:

1. ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: শরীরে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ না করায় রক্তে সুগার ও ইনসুলিন বেড়ে যায়। এটা ওভারিকে বেশি পুরুষ হরমোন বানাতে বলে।
2. বংশগত: মা বা বোনের PCOS থাকলে আপনারও হওয়ার চান্স বেশি।

চিকিৎসা আছে?

PCOS পুরোপুরি সারানোর ওষুধ নেই, কিন্তু কন্ট্রোল করা যায়। মূল চিকিৎসা ৩টা:

1. লাইফস্টাইল চেঞ্জ: ওজন ৫-১০% কমালেই ৭০% লক্ষণ কমে যায়। নিয়মিত ব্যায়াম আর লো-কার্ব খাবার সবচেয়ে কাজের।
2. ওষুধ: পিরিয়ড নিয়মিত করতে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, ডায়াবেটিসের ওষুধ Metformin, আর লোম-ব্রণের জন্য অন্য ওষুধ দেওয়া হয়।
3. বাচ্চা নেওয়ার চিকিৎসা: যারা বাচ্চা নিতে চান তাদের জন্য ডিম্বাণু ফোটার আলাদা ওষুধ আছে।

জরুরি কথা: PCOS থাকলে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রোগ, জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই লক্ষণ দেখলে একজন গাইনি ডাক্তার দেখিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও হরমোন টেস্ট করিয়ে নেওয়া ভালো।

 

সারাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার যোগে অর্ডার অনুযায়ী ঔষধ পাঠানো হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

*চেম্বার ও যোগাযোগ*

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

(ডিইউএমএস, বিএসএস)

চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A

ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

 চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,  ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার , প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন, 

রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

 প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ:  01762240650

চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*

আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, সাদা স্রাব (লিকোরিয়া), মেছতা, কিডনী পাথর, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.
শেয়ার করুন: