হাকীম মো. মিজানুর রহমান: ১৪ বছরের অভিজ্ঞতায় আস্থা, মানবিকতা ও চিকিৎসা সফলতার এক নির্ভরযোগ্য নাম

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ইবনে সিনা হেলথ কেয়ারে বসে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের ভরসার ঠিকানা হয়ে উঠেছেন হাকীম মো. মিজানুর রহমান। ইউনানী ও অল্টারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, রোগীর প্রতি আন্তরিক আচার-ব্যবহার এবং জটিল ও পুরাতন রোগের ক্ষেত্রে তার ধারাবাহিক সফলতা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন বিশ্বস্ত চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত ভিত্তি
হাকীম মিজানুর রহমানের শিক্ষা জীবনের ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। তিনি ডিইউএমএস (ঢাকা) ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যা ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রের উপর সরকার স্বীকৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিপ্লোমা। এর পাশাপাশি তিনি বিএসএস (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়) সম্পন্ন করেছেন, যা তার একাডেমিক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও প্রসারিত করেছে।

তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো অল্টারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন, অসংখ্য রোগীর কেস স্টাডি করেছেন এবং ইউনানী, আয়ুর্বেদ ও আধুনিক ভেষজ চিকিৎসার সমন্বয়ে নিজস্ব একটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি গড়ে তুলেছেন। তিনি সরকারি রেজি. নং-৩৫৪৬/এ প্রাপ্ত একজন বৈধ হাকীম, যা তার পেশাগত স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার প্রমাণ।

রোগীদের সাথে আচার-ব্যবহার: চিকিৎসার প্রথম ওষুধ
হাকীম মিজানুর রহমান বিশ্বাস করেন, একজন রোগীর অর্ধেক রোগ ভালো হয়ে যায় চিকিৎসকের ভালো ব্যবহারে। তার চেম্বারে আসা প্রতিটি রোগীর সাথে তিনি যে আচরণ করেন, তা নিয়ে রোগীদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

১. মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা: তিনি কখনো তাড়াহুড়ো করেন না। প্রতিটি রোগীকে কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট সময় দেন। রোগের ইতিহাস, জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ – সবকিছু খুঁটিয়ে শোনেন। বিশেষ করে যৌন রোগ, সাদা স্রাব, বন্ধ্যাত্বের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে রোগীরা যখন লজ্জায় মুখ খুলতে চান না, তখন তিনি অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও গোপনীয়তা বজায় রেখে তাদের কথা শোনেন।

২. ভয় না দেখিয়ে সঠিক পরামর্শ: অনেক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীকে ভয় দেখানোর অভিযোগ থাকে। হাকীম মিজানুর রহমান এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি রোগীকে বোঝান যে, রোগটি কেন হয়েছে এবং কিভাবে নিয়ম মেনে চললে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

৩. সার্বক্ষণিক যোগাযোগ: তার ভিজিটিং কার্ডে দেওয়া সিরিয়াল নাম্বার 01762240650 (ইমো/হোয়াটসঅ্যাপ) তে রোগীরা যেকোনো সময় পরামর্শ নিতে পারেন। ওষুধ খাওয়ার নিয়ম, পথ্য বা কোনো সমস্যা হলে তিনি ফোনে গাইড করেন, যা গ্রামের রোগীদের জন্য বিশাল স্বস্তির।

যে সকল রোগে তার চিকিৎসাগত সফলতা উল্লেখযোগ্য
গত ১৪ বছরে তিনি বিশেষ করে সেই সব রোগে বেশি সুনাম অর্জন করেছেন, যেগুলো দীর্ঘমেয়াদী, জটিল এবং সাধারণ চিকিৎসায় বারবার ফিরে আসে।

১. চর্মরোগে বিপ্লবী সাফল্য:

শ্বেতী (Vitiligo): শ্বেতী রোগে তিনি ভেতর থেকে রক্ত পরিশোধন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপর জোর দেন। তার অনেক রোগীর শ্বেতী দাগ ধীরে ধীরে কমে স্বাভাবিক চামড়ার সাথে মিশে গেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা, কিন্তু ধৈর্য্য ধরে নিয়ম মানা রোগীরা ভালো ফল পেয়েছেন।

সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন: এগুলো মূলত রক্তের দূষণ ও লিভারের দুর্বলতা থেকে হয় বলে ইউনানী মতে মনে করা হয়। তিনি শুধু বাহ্যিক মলম না দিয়ে ভেতরের চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগগুলোর স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করেন। বহু পুরাতন দাদ ও একজিমার রোগী তার চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।

মেছতা, ব্রণ, আঁচিল: হরমোনজনিত ও রক্তদূষণজনিত এই সমস্যাগুলোতে তার ভেষজ চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকর বলে রোগীরা জানিয়েছেন।

২. যৌন ও গোপন রোগে আস্থার নাম:
এটি তার চিকিৎসা জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতার ক্ষেত্র।

যৌন রোগ, সিফিলিস, গনোরিয়া, মেহ-প্রমেহ: তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষদের মধ্যে এই সমস্যাগুলো ব্যাপক। তিনি লজ্জা ও ভয় দূর করে বৈজ্ঞানিকভাবে কাউন্সেলিং ও সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ইউনানী ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দেন।

মহিলাদের সাদা স্রাব (লিকোরিয়া) ও অনিয়মিত মাসিক: অসংখ্য মা-বোন দীর্ঘদিন সাদা স্রাব ও কোমর ব্যথায় ভুগে তার কাছে এসে সুস্থ হয়েছেন।
বন্ধ্যাত্ব: স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্বের কারণ নির্ণয় করে তিনি প্রাকৃতিক উপায়ে চিকিৎসা দেন। অনেক নিঃসন্তান দম্পতি তার চিকিৎসা নিয়ে সন্তানের মুখ দেখেছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়।

৩. অন্যান্য জটিল রোগ:
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা (অপারেশন ছাড়া), বিভিন্ন টিউমার (জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল), কিডনি পাথর, মেছতা, কিডনি পাথর – এসব ক্ষেত্রেও তার চিকিৎসায় রোগীরা উপকার পেয়েছেন। তিনি কখনোই মিথ্যা গ্যারান্টি দেন না, বরং রোগের অবস্থা অনুযায়ী কতটুকু উন্নতি সম্ভব তা খোলামেলা বলেন।

তার চিকিৎসা পদ্ধতির মূলমন্ত্র
হাকীম মিজানুর রহমান কখনোই শুধু একটি রোগের উপর ওষুধ দেন না। তিনি পুরো শরীরকে একটি সিস্টেম হিসেবে দেখেন। তার চিকিৎসার তিনটি স্তম্ভ হলো:
১. সঠিক রোগ নির্ণয়: নাড়ি দেখা ও রোগীর ইতিহাস শোনা।
২. ভেষজ ও ইউনানী ওষুধ: সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ওষুধ।
৩. পথ্য ও জীবনযাপন: কোন খাবার খাওয়া যাবে, কোনটা যাবে না, তার বিস্তারিত গাইডলাইন।

১৪ বছরের এই পথচলায় তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন ভালো হাকীম হতে হলে শুধু ডিগ্রি নয়, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ, ধৈর্য্য এবং সৎ পরামর্শ সবচেয়ে জরুরি।

হাজীগঞ্জ, রামপুর বাজার, মডেল টাউনের সততা প্লাজায় অবস্থিত তার ইবনে সিনা হেলথ কেয়ারে (প্লট নং ২৬, বলাখাল থেকে উত্তর দিকে) প্রতিদিন সকাল ১০-১২টা এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি রোগী দেখেন।

মানবসেবাই যার ব্রত, সেই হাকীম মো. মিজানুর রহমান আজ হাজীগঞ্জবাসীর কাছে শুধু একজন চিকিৎসক নন, পরিবারের একজন নির্ভরযোগ্য সদস্য।

 

*চেম্বার ও যোগাযোগ*

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

(ডিইউএমএস, বিএসএস)

চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A

ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

 চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,  ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার , প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন, 

রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

 প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ:  01762240650

চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*

আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, সাদা স্রাব (লিকোরিয়া), মেছতা, কিডনী পাথর, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.
শেয়ার করুন: